
নবীনগর।।
নবীনগর পৌরসদরের শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে প্রচণ্ড মারধর ও জোরপূর্বক এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার আদালত পাড়ার কেরামত আলী টাওয়ার ভবনের ২য় তলায় শিশু মিয়ার ভাড়া বাসায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাতেই নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ আসার খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে। ্এ ঘটনায় শিক্ষক ও ছাত্রিরা নবীনগরে সন্ত্রাসীদের বিচার দাবিতে মিছিল করেছে।
হাসপাতালে শয্যাশায়ী শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, বাসায় এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে রাতে তাকে ওই বাসায় ডেকে নেয়া হয়। বাসায় যাওযার পরই তাকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মারধর করে বেঁধে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা জোরপূর্বক একটি মেয়ের সঙ্গে তার আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ঘরের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে ওই শিক্ষকের বাসায় গিয়ে নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। তারপর ওই শিক্ষককে মধ্যরাতে রাস্তায় ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বলেন, একজন শিক্ষকের ওপর এ ধরনের অত্যাচার দুঃখজনক। কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।