৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত দুই বিচারকের আদালতে যাবেন না আইনজীবীরা

২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ : ৩:৫২ অপরাহ্ণ ২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবীদের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিকেলে আইনজীবীরা সাধারণসভা করে এই সময়সীমা আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করেন আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি)।জেলা জজ শারমিন নিগার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা জজ) মোহাম্মদ ফারুককে বদলি ও জজ আদালতের নাজির মমিনুল ইসলাম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই দুই বিচারকের আদালত ছাড়া অন্য আদালতগুলোয় বিচারিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে আইনজীবীরা।আজ সাধারণ সভা শেষে বিকেলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানভীর ভূঞা ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান দুই আদালতের বিষয়ে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করেন। তাঁরা বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত দুই বিচারকের আদালতে যাবেন না আইনজীবীরা।জানা গেছে, এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে আইনজীবীরা জেলা জজ শারমিন নিগার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা জজ) মোহাম্মদ ফারুকের আদালত ছাড়া সকল আদালতে ফিরে যান। এতে আদালতের অচলাবস্থা দূর হয়।এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা জজ শারমিন নিগার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা জজ) মোহাম্মদ ফারুককে বদলি ও জজ আদালতের নাজির মমিনুল ইসলাম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এখনো পূরণ হয়নি।আজ মঙ্গলবার সাধারণ সভায় তাদের দুই আদালত বর্জনের সময় বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। আগামী ৩০ জনিুয়ারি পর্যন্ত আইনজীবীরা ওই দুই বিচারকের আদালতে যাবেন না। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন বিষয়টি নিয়ে সাধারণ সভা করা সম্ভব না। তাই বিষয়টি নিয়ে সার্বিক সিদ্ধান্ত নিতে বর্তমান সভাপতি তানভীর ভূঞাকে প্রধান করে ২১সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরবর্তী করনীয় বিষয়ে তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নিবেন, সবাই তা মেনে নিবেন।উল্লেখ্য শীতকালীন ছুটির আগে ১ ডিসেম্বর আদালতের শেষ কার্যদিবস ছিল। ওই দিন তিনটি মামলা না নেয়ায় ১ জানুয়ারি বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের আদালত বর্জন করেন আইনজীবীরা। এরপর ২ জানুয়ারি বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের সাথে আইনজীবীদের বাদানুবাদের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ৫ জানুয়ারি আইনজীবীরা তিন কার্যদিবসের কর্মবিরতির ডাক দেন। ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ছয় কার্যদিবস কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা। এর আগে ৪ জানুয়ারি এক দিনের কর্মবিরতি পালন করে জেলা বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন।

[gs-fb-comments]